পোস্টগুলি

GK লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

বাঙালি কবিদের বিভিন্ন উপাধি বা উপনাম

ছবি
  বাঙালি কবিদের বিভিন্ন উপাধি বা উপনাম (যা তাঁরা তাঁদের সাহিত্যকর্ম, জনমান্যতা বা বিশেষ স্বীকৃতির জন্য পেয়েছেন) সুন্দরভাবে সাজিয়ে দেওয়া হলো: 🏵️ বাঙালি কবিদের উপাধি / উপনাম তালিকা কবি উপাধি / উপনাম ব্যাখ্যা / প্রেক্ষিত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিশ্বকবি বিশ্বজুড়ে কবি হিসেবে স্বীকৃতি ও নোবেল জয় মাইকেল মধুসূদন দত্ত আধুনিক বাংলা সাহিত্যের জনক বাংলা কাব্যে মহাকাব্য ও নাটকধর্মী রূপ এনে দেন কাজী নজরুল ইসলাম বিদ্রোহী কবি “বিদ্রোহী” কবিতার মাধ্যমে পরিচিত, সাম্যের প্রতীক জীবনানন্দ দাশ নির্জনতার কবি একাকিত্ব ও প্রকৃতির গভীর ছবি আঁকতেন সুকান্ত ভট্টাচার্য গণমানুষের কবি শ্রমজীবী মানুষের কথা বলতেন, সাম্যবাদী চেতনায় উদ্দীপ্ত জসীমউদ্দীন পল্লীকবি গ্রামীণ জীবনের চিত্র অঙ্কনে সিদ্ধহস্ত শক্তি চট্টোপাধ্যায় পথহারা কবি তার “আবার আসিব ফিরে” প্রভৃতি কবিতায় উদ্বাস্তুবোধ সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় নীললোহিত তাঁর alter ego; প্রগতিশীল, সাহিত্যিক কণ্ঠ আল মাহমুদ আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম স্তম্ভ ঐতিহ্য, ইসলামি সংস্কৃতি ও আধুনিকতা মিলিয়েছেন হেলাল হাফিজ প্রেম ...

বাঙালি কবিদের ছদ্মনাম

ছবি
নিচে দুই বাংলার মোট ৫০ জন বিশিষ্ট বাঙালি কবি – পুরুষ ও নারী উভয় মিলিয়ে – তাঁদের আসল নাম এবং ছদ্মনাম সহ একটি সুবিন্যস্ত তালিকা দেওয়া হলো: 📚 বাঙালি কবি ও তাঁদের ছদ্মনাম (৫০ জন) ক্রমিক আসল নাম ছদ্মনাম / সাহিত্যিক নাম মন্তব্য 1 মাইকেল মধুসূদন দত্ত কপোতাক্ষ চ্যাটার্জি ছদ্মনামে কবিতা লিখতেন 2 রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ভানুসিংহ ব্রজবুলি কবিতা লেখার জন্য 3 কাজী নজরুল ইসলাম দুখু মিয়া সাহিত্য জীবনের প্রথমদিকে 4 সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় নীললোহিত, সনাতন পাঠক, নীল উপাধ্যায় বিভিন্ন ঘরানার লেখায় 5 জীবনানন্দ দাশ কল্যাণ চৌধুরী (সporadic use) কিছু পত্রিকায় 6 সুকুমার রায় পাগলা দাশু, লালু ছড়ার লেখায় 7 হুমায়ুন আজাদ অশ্লীল (বিতর্কিত রচনায়) বাংলাদেশ 8 শঙ্খ ঘোষ কাব্যচিন্তা (প্রবন্ধে) সাহিত্যসমালোচনায় 9 আল মাহমুদ মীর আবদুল্লাহ শুরুর দিকে 10 আবুল হাসান নাবালক কবি (রসিকতাপূর্ণ অভিব্যক্তি) বাংলাদেশ 11 জসীমউদ্দীন পল্লীকবি (উপাধি) গ্রামীণ কবি হিসেবে পরিচিত 12 নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী সুনীলের ছায়া (ব্যঙ্গোক্তি হিসেবে ব্যবহৃত) ব্যক্ত...

পশ্চিমবঙ্গের দীর্ঘতম

ছবি
পশ্চিমবঙ্গের দীর্ঘতম জিনিসের তালিকা: *দীর্ঘতম নদী: গঙ্গা (ভাগীরথী), পশ্চিমবঙ্গে দৈর্ঘ্য প্রায় ৫২০ কিমি। *দীর্ঘতম সেতু: জয়ী সেতু, তিস্তা নদীর উপর, কোচবিহার, দৈর্ঘ্য প্রায় ২.৭ কিমি। *দীর্ঘতম কেবল সেতু: বিদ্যাসাগর সেতু (দ্বিতীয় হুগলি সেতু), কলকাতা, দৈর্ঘ্য ২,৭০০ ফুট। *দীর্ঘতম জাতীয় সড়ক: ৩৪ নং জাতীয় সড়ক, ডালখোলা থেকে কলকাতা, দৈর্ঘ্য ৪৪৩ কিমি। *দীর্ঘতম রেলওয়ে প্ল্যাটফর্ম: খড়গপুর রেল স্টেশন, দৈর্ঘ্য ১,০৭২.৫ মিটার। *দীর্ঘতম বাঁধ: ফারাক্কা বাঁধ, গঙ্গা নদীর উপর, দৈর্ঘ্য ২,২৪৫ মিটার। *দীর্ঘতম সড়ক সেতু: শরৎ সেতু (কোলাঘাট ব্রিজ), দৈর্ঘ্য উল্লেখযোগ্য। *দীর্ঘতম উড়ালপুল: মা উড়ালপুল, কলকাতা, দৈর্ঘ্য ৯.২ কিমি (মোট), ৪.৫ কিমি (প্রধান অংশ)।  *দীর্ঘতম ট্রেন রুট: দার্জিলিং হিমালয়ান রেল (টয় ট্রেন), শিলিগুড়ি থেকে দার্জিলিং, দৈর্ঘ্য ৮৬ কিমি * উপকূলরেখা: পশ্চিমবঙ্গের উপকূলরেখা, সুন্দরবন থেকে ওড়িশা সীমান্ত, প্রায় ১৫৭ কিমি। *দীর্ঘতম রাজনৈতিক শাসনকাল: বামফ্রন্ট সরকার, ৩৪ বছর (১৯৭৭-২০১১), বিশ্বের দীর্ঘতম গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত কমিউনিস্ট সরকার। *দীর্ঘতম রাজ্য সড়ক: রাজ্য সড়ক, মোট দৈর্ঘ্য ২...

ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের ভাষা

ছবি
ভারতের বিভিন্ন রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে বিভিন্ন ভাষা কথ্য এবং সরকারি ভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ভারতের সংবিধানের অষ্টম তফসিলে ২২টি সরকারি ভাষার উল্লেখ রয়েছে, তবে স্থানীয়ভাবে আরও অনেক ভাষা ও উপভাষা প্রচলিত।  নীচে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির প্রধান ভাষাগুলির একটি তালিকা দেওয়া হল: রাজ্য ও তাদের প্রধান ভাষা: *অন্ধ্রপ্রদেশ: তেলুগুঅরুণাচল প্রদেশ: ইংরেজি (সরকারি), স্থানীয় ভাষা (আদি, নিশি, মনপা ইত্যাদি) *আসাম: অসমীয়া, বাংলা (বরাক উপত্যকায়), বোড়ো *বিহার: হিন্দি, মৈথিলি, ভোজপুরি, মগধী *ছত্তিশগড়: হিন্দি, ছত্তিশগড়ী *গোয়া: কোঙ্কণী, মারাঠি, ইংরেজি *গুজরাট: গুজরাটি *হরিয়ানা: হিন্দি, পাঞ্জাবি *হিমাচল প্রদেশ: হিন্দি, পাহাড়ি উপভাষা *ঝাড়খণ্ড: হিন্দি, সাঁওতালি, মুন্ডারি *কর্ণাটক: কন্নড় *কেরল: মালয়ালম *মধ্যপ্রদেশ: হিন্দিমহারাষ্ট্র: মারাঠি *মণিপুর: মণিপুরি (মৈতৈ) *মেঘালয়: ইংরেজি, খাসি, গারো *মিজোরাম: মিজো *নাগাল্যান্ড: ইংরেজি, নাগা ভাষা (আও, সেমা, কোনিয়াক ইত্যাদি) *ওড়িশা: ওড়িয়া *পাঞ্জাব: পাঞ্জাবি *রাজস্থান: হিন্দি, রাজস্থানী (মারওয়ারি, মেওয়াতি ইত্যাদি) *সিকিম: নেপালি, স...

ভারতের বিভিন্ন জাতীয় প্রতীক

ছবি
ভারতের জাতীয় প্রতীক, পশু, পাখি ইত্যাদির নামের তালিকা নীচে দেওয়া হল: - **জাতীয় প্রতীক**: অশোক স্তম্ভ (অশোকের চারমুখী সিংহ রাজধানী) - **জাতীয় পতাকা**: তেরঙা (ত্রিবর্ণ পতাকা - কেশরিয়া, সাদা, সবুজ এবং মাঝখানে নীল অশোক চক্র) - **জাতীয় সঙ্গীত**: জন গণ মন (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত) - **জাতীয় গান**: বন্দে মাতরম (বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত) - **জাতীয় পশু**: বাংলার বাঘ (Royal Bengal Tiger) - **জাতীয় পাখি**: ভারতীয় ময়ূর (Indian Peacock) - **জাতীয় ফুল**: পদ্ম (Lotus) - **জাতীয় ফল**: আম (Mango) - **জাতীয় গাছ**: বটগাছ (Indian Banyan) - **জাতীয় নদী**: গঙ্গা - **জাতীয় জলজ প্রাণী**: গঙ্গা নদীর শুশুক (Gangetic Dolphin) - **জাতীয় সরীসৃপ**: কিং কোবরা (King Cobra) - **জাতীয় ক্রীড়া**: হকি (Field Hockey) - **জাতীয় পঞ্জিকা**: শকাব্দ (Saka Calendar) - **জাতীয় মুদ্রা**: ভারতীয় রুপি (₹)

Knowledge vs Wisdom নলেজ ও উইশডম

নলেজ অথবা পোষা কুকুর / দেবাশিস লাহা Knowledge এবং wisdom  দুটি শব্দের অর্থই এক কথায় জ্ঞান। অথচ এরা কখনই পরস্পরের হাত ধরে চলেনি। এক সঙ্গে, এক অভিমুখে চলা তো দূরের কথা,  বরং বিপরীত পথে হেঁটেছে। পারস্পরিক সম্পর্কটি   বৈরিতা দিয়েই চিহ্নিত হয়েছে। কেন?   গভীরে গেলেই, বিষয়টি কিঞ্চিৎ  পরিষ্কার হবে। education এর সঙ্গে knowledge শব্দটি এমনভাবে সম্পৃক্ত হয়ে গেছে, ( যা অবশ্যই আর্থ সামাজিক ব্যবস্থার প্রভাব)  যে knowledge  চাইলে অক্ষর জ্ঞান অর্থাৎ literate হওয়া একান্তই আবশ্যক। knowledge এর সঙ্গে literacy র এই সম্পর্ক যে আধুনিক কালেই ঘটেছে এমন নয়। সুদূর অতীত অর্থাৎ প্রাচীন  কালেই এই গাঁটছড়ার কাজটি সম্পন্ন হয়েছিল, যা আধুনিক ডিগ্রির মোড়কে আরও চমকদার, চোখ ধাঁধানো হয়ে উঠেছে। প্রমাণ চান? বর্তমানে জীবিত, সুপরিচিত, বিখ্যাত  কয়েকজন ব্যক্তির নাম বলুন, যাঁরা আপনার মতে যথেষ্ট জ্ঞানী। খুঁজে দেখুন, এঁদের মধ্যে অক্ষরজ্ঞান নেই এমন কেউ আছেন নাকি। একজনও পাবেননা। অর্থাৎ জ্ঞানের সঙ্গে অক্ষরজ্ঞানই কেবল অপরিহার্য নয়, যত বড় ডিগ্রি, যত বড় পদ, তত বেশি শিক্ষিত, জ্ঞানী...