দূরত্ব পর্ব ২ যে ঋণ কখনও শোধ হয় ন
দূরত্ব পর্ব ২: নতুন দিগন্ত, নতুন পরিচয় আগের পর্ব পড়ুন: যে ঋণ কখনও শোধ হয় না — পর্ব ১ মানুষের জীবনে কিছু পরিবর্তন খুব নীরবে আসে। প্রথমে বোঝা যায় না। মনে হয়, সবকিছু আগের মতোই আছে। শুধু ব্যস্ততা একটু বেড়েছে, দেখা করার সময় একটু কমেছে, ফোনে কথা বলার সুযোগ একটু কমেছে। কিন্তু একসময় পিছন ফিরে তাকালে দেখা যায়, পরিচিত মানুষগুলোর সঙ্গে অদৃশ্য এক দেয়াল তৈরি হয়ে গেছে। অয়নের জীবনেও ঠিক তেমনটাই ঘটছে। সকালে ঘুম থেকে উঠেই অয়ন মোবাইল হাতে নেয়। একের পর এক ব্যবসায়িক বার্তা, ইমেল, ফোনকল। কখনও কলকাতার কোনও সরবরাহকারীর সঙ্গে কথা, কখনও বাইরের রাজ্যের কোনও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পণ্যের দরদাম। তার বাবা এখন আগের মতো প্রতিটি কাজে সরাসরি যুক্ত থাকেন না। ব্যবসার অনেক দায়িত্ব অয়নের হাতে তুলে দিচ্ছেন। অয়নও নিজেকে প্রমাণ করতে মরিয়া। বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে থাকা পুরোনো গাড়িটির জায়গায় এখন নতুন দামি গাড়ি। বাড়ির বাগানে আরও কিছু বিদেশি গাছ এসেছে। বসার ঘরের আসবাব বদলেছে। দেওয়ালে নতুন ছবি, আলমারিতে দামি ঘড়ি, পোশাকের ঘরে সাজানো ব্র্যান্ডেড জামাকাপড়। বাইরে থেকে দেখলে মনে হয়, সাফল্য যেন অয়নের...