পোস্টগুলি

সেপ্টেম্বর, ২০২৬ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

‘জ়’, ‘ফ়’, ‘খ়’— আনন্দবাজার পত্রিকার বানানে এই অদ্ভুত ফুটকি বা নুক্তার রহস্য কী?

ছবি
 আমরা যারা নিয়মিত আনন্দবাজার পত্রিকা পড়ি, তারা নিশ্চয়ই খেয়াল করেছি যে সেখানে ‘জিরো’ লেখা হয় ‘জ়িরো’, ‘ফটো’ লেখা হয় ‘ফ়টো’, কিংবা ‘খবর’ লেখা হয় ‘খ়বর’ হিসেবে। চেনা বাংলা অক্ষরের নিচে এই ছোট্ট ফোঁটা বা ফুটকি দেখে অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে— এই বর্ণগুলোর উৎপত্তি কোথা থেকে? আর কেনই বা একটি শতাব্দীপ্রাচীন সংবাদপত্র এই অদ্ভুত বানানরীতি দিনের পর দিন ব্যবহার করে চলেছে? আজকের ব্লগে আমরা আলোচনা করব এর পেছনের আকর্ষণীয় ইতিহাস, ভাষাতাত্ত্বিক কারণ এবং এর নেপথ্যের কারিগরদের নিয়ে। 🔹 নুক্তা বা ফুটকির উৎপত্তি ও উদ্দেশ্য ঐতিহ্যগত বাংলা वर्णমালায় আমাদের ‘জ’ এর উচ্চারণ সাধারণত ইংরেজি ‘J’ (যেমন: Job, Joy) এর মতো হয়। কিন্তু ইংরেজি ‘Z’ (যেমন: Zero, Zebra) কিংবা আরবি, ফারসি ও উর্দু ভাষার বহু শব্দে আলাদা এক ধরণের শিস ধ্বনি বা কম্পিত উচ্চারণ থাকে, যা সাধারণ ‘জ’ দিয়ে হুবহু বোঝানো অসম্ভব। এই সূক্ষ্ম উচ্চারণগত তফাত এবং আন্তর্জাতিক ধ্বনিবৈচিত্র্যকে বাংলা লিপির ফ্রেমে নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলতেই দেবনাগরী (হিন্দি) লিপির অনুকরণে বাংলা অক্ষরের নিচে এই বিন্দু বা ‘নুক্তা’ ব্যবহারের চল শুরু হয়। 🔹 কোন বর্ণটি কী...